সালাফদের ইলমী শ্রেষ্ঠত্ব
লেখক : আবদুল্লাহ আল মাসউদ
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ
পরকাল সুনিশ্চিত। কিয়ামত হবেই এবং তারপর হাশরের মাঠে হিসাব দিতেই হবে। তাহলে প্রস্তুতি নেয়া তো অতীব জরুরি। একীন যত বেশী হবে আমল করা ততই সহজতর হবে। যদি এই বিষয়ে পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় তবে সামনে আগানো নিষ্কণ্টক হবে। এ লক্ষই কিতাবটি রচনা করা হয়েছে।
আচ্ছা আখিরাত নিয়ে তো আমরা প্রচুর পড়াশোনা করেছি কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় আখেরাতের যাত্রা টা কেমন হবে, তাহলে স্পষ্ট করে কতটুকু বর্ণনা করতে পারবেন? আবু ইয়াহিয়ার লেখার সাথে যারা পরিচিত তারা হয়তো অনেকে বলতে পারবেন। উনি এমন একজন লেখকের লেখায় ভবিষ্যতে অতীত-বর্তমান সব মিলে একাকার হয়ে যায় । কোন একটা বিষয়কে উনি পাঠকের মানসপটে এমনভাবে উপস্থাপন করতে পারেন যা অন্য কারো পক্ষে করা দুঃসাধ্য। লেখক তার কলমের মাধ্যমে আমাদেরকে নিয়ে যেতে চেয়েছেন ভবিষ্যতে গন্তব্যের দিকে । যেই গন্তব্য আমাদের জন্য অবধারিত। তাকে আমরা আখেরাতের অন্তিম যাত্রা বলতে পারি। তিনি আমাদেরকে দেখিয়েছেন লেখনীর মাধ্যমে হাশর, কেয়ামত, মিজান এবং অন্যান্য বিষয় যা আমরা পড়ে জেনে ফেলেছি । তার লেখনীতে জিনিসগুলো এতটাই মূর্ত পাঠক মনে করে যে তার সামনেই সব ঘটছে। অপেক্ষমান অবশ্যম্ভাবী কেয়ামত হাশর সম্বন্ধে নিজেকে আরো ঝালিয়ে নেওয়া যাক আর এই প্রচেষ্টার জন্য লেখক আবু ইয়াহিয়া কে ধন্যবাদ আরেকবার দেওয়া যেতেই পারে।
আপনি ছাড় পাচ্ছেন: Tk 33